ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?

ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?
ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠের পেশি, মেরুদণ্ড, ইত্যাদি সমস্যা থেকে তৈরি হয়। পিঠ ব্যথার কারণগুলোর ভেতর সবচেয়ে বেশি থাকে পিঠের পেশিতে চাপ পড়া এবং পিঠের কাঠামোগত সমস্যা। চলুন জেনে নেওয়া যাক পিঠ ব্যথা বা ব্যাকপেইনের কারণগুলো কী কী।
  • পিঠের পেশিতে চাপ
  • বাত বা আর্থ্রাইটিস
  • হাড় ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস
  • মেরুদণ্ডের ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।
  • মেরুদণ্ডে ক্যান্সার বা টিউমার।
  • কিডনি সংক্রমণ বা কিডনি পাথর।

১. সোজা হয়ে বসার অভ্যাস করুন
২. দুই পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা উঁচু রেখে ঘুমাতে হবে
৩. দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করার সময় শারীরিক অবস্থানের দিকে লক্ষ্য রাখুন সুযোগ থাকলে প্রয়োজনে অবস্থান পরিবর্তন করুন
৪. ভারী কিছু বহন করার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
৫. ব্যাক পেইন হলে বিশ্রাম নিতে হবে। ব্যাক পেইন ভালো হওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্রামের বিকল্প নেই
৬. কোমর ব্যথা হলে সেঁক ও বরফ দেয়া যেতে পারে
৭. ব্যাক পেইন সারাতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করুন
৮.চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবেনা

1. দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে
2. পিঠের পেশি শক্তিশালী করতে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে
3. অতিরিক্ত ওজন পিঠে চাপ সৃষ্টি করে। সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে
4. ঘুমানোর সময় সঠিক পোজিশনে শোওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পিঠ সোজা রেখে শোয়ার চেষ্টা করুন।
5. ভারী কিছু তুলতে হলে কোমর বাঁকিয়ে না, বরং হাঁটু ব্যবহার করুন। পিঠের ওপর চাপ কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
6. কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহারের সময় সঠিক পজিশনে বসুন এবং স্ক্রীন চোখের সমান উচ্চতায় রাখুন।
7. ভারী ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, যদি ব্যাগ ব্যবহার করতে হয়, তবে দু’টি কাঁধে সমানভাবে ভার বিতরণ করুন।
8. যতটা সম্ভব সঠিক সাপোর্টযুক্ত জুতো পরুন যাতে পিঠে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।
9. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ পিঠের ব্যথাকে বাড়াতে পারে। হালকা কিছু ব্যায়াম চর্চা বা প্রার্থনা করে মানসিক চাপ কমানোর যেতে পারে

তথ্যসূত্রঃ https://www.jugantor.com/lifestyle/335655